প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ : যেভাবে প্রস্তুতি নেবেন

প্রিয় সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীগণ, আপনাদের জন্য চলে আসল বিশাল এক সুযোগ। সম্প্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এর ১,১২২টি শূন্য পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) সচিবালয় গত ৩১ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে বিভিন্ন পদে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই পদগুলো অন্তর্ভুক্ত করে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকরা ১২তম […]

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ : যেভাবে প্রস্তুতি নেবেন
Feb 3, 2026
1 min read
Uncategorized

প্রিয় সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীগণ, আপনাদের জন্য চলে আসল বিশাল এক সুযোগ। সম্প্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এর ১,১২২টি শূন্য পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) সচিবালয় গত ৩১ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে বিভিন্ন পদে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই পদগুলো অন্তর্ভুক্ত করে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকরা ১২তম গ্রেডে বেতন পাবেন, যা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। brritto এর আজকের আয়োজনে থাকছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে সামগ্রিক দিক নির্দেশনা।   

 

একনজরে বিজ্ঞপ্তির মূল তথ্যসমূহ:

পদের নাম: প্রধান শিক্ষক
মোট পদসংখ্যা: ১১২২ টি
আবেদন শুরু: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (দুপুর ১২ টা)
আবেদনের শেষ সময়: ২০ অক্টোবর, ২০২৫ ( সন্ধ্যা ৬ টা)
ফি জমাদানের শেষ সময়: ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ ( সন্ধ্যা ৬ টা)
পরীক্ষা ফি: ১৫০/-
বয়সসীমা: ৩২ বছর
কেন্দ্র: কেন্দ্রভিত্তিক রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রার্থীকে ঢাকা/ রাজশাহী/ চট্টগ্রাম/ খুলনা/ বরিশাল/ সিলেট/ রংপুর/ ময়মনসিংহ কেন্দ্রের মধ্যে যেকোন একটি কেন্দ্রের বিপরীতে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। প্রার্থী যে কেন্দ্র নির্বাচন করবেন সে কেন্দ্রের জন্য নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন নম্বরের রেঞ্জ হতে কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে প্রার্থীকে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদান করা হবে। তবে বাছাই/লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষা কেবল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

আবেদনের যোগ্যতা:

  •       কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।
  •       শিক্ষা জীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।
  •       তফসিল – ২ অনুযায়ী গৃহীত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

 

আবেদনের শর্তাবলী:

  •       প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
  •       যেসকল প্রার্থী কোন অ-বাংলাদেশি নাগরিককে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন সে সকল প্রার্থী সরকারের লিখিত অনুমতি ব্যতিরেকে আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। সরকারের অনুমতিপত্র লিখিত পরীক্ষার পর Applicant’s Copy (BPSC Form-5A) এর সাথে অবশ্যই জমা দিতে হবে।
  •       বিজ্ঞাপনে উল্লিখিত ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা/অভিজ্ঞতা এবং বয়সসীমা না থাকলে কোন প্রার্থী আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
  •       কোন প্রার্থী পরীক্ষার ফি জমা দিয়ে Admit card পাওয়ার পর একাধিকবার অনলাইনে Application Form জমা দিতে পারবেন না।
  •       প্রার্থী মিথ্যা/ভিন্ন/ভুল তথ্য দিয়ে একাধিকবার ফর্ম পূরণ করে একাধিক Admit card গ্রহণ করলে এবং প্রক্রিয়ায়ণের যেকোন স্তরে জালিয়াতি প্রমাণিত হলে এরূপ প্রার্থীর সামগ্রিক প্রার্থিতা বাতিল হবে। উক্ত প্রার্থী ভবিষ্যতে বিপিএসসি কর্তৃক বিজ্ঞাপিত সকল পদে আবেদনের জন্য অযোগ্য ঘোষিত হবেন এবং উক্ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে:

প্রার্থীদের BPSC Form-5A (Applicant’s Copy) কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে মৌখিক পরীক্ষার পূর্বে নিম্নোক্ত কাগজপত্র/তথ্যাদিসহ কমিশন কর্তৃক নির্দেশিত সময়ে এবং স্থানে জমা দিতে হবে:

  •       প্রার্থীকে জমাপ্রদানকৃত সনদ/কাগজপত্রের একটি তালিকা BPSC Form-5A (Applicant’s Copy) এর সাথে জমা প্রদান করতে হবে।
  •       শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রমাণের জন্য বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় হতে অর্জিত সকল সনদ (এস.এস.সি/ এইচএসসি/ডিপ্লোমা/ স্নাতক/স্নাতকোত্তর/ বা সমমানের মূল বা সাময়িক সনদ) এর সত্যায়িত ফটোকপি। মূল সনদের ফটোকপি প্রদানে অপারগ হলে সাময়িক সনদের ফটোকপি গৃহীত হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয় বা সর্বশেষ পরীক্ষার মার্কশিট প্রাথমিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে তবে সাক্ষাৎকার বোর্ডে মূল/সাময়িক সনদ অবশ্যই দাখিল করতে হবে।
  •       চার বছর মেয়াদি স্নাতক/স্নাতক সম্মান ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের জমাকৃত সনদ/মার্কশিট/টেস্টিমোনিয়াল-এ যদি অর্জিত ডিগ্রির মেয়াদ ৪ বছর সুস্পষ্ট উল্লেখ না থাকে সেক্ষেত্রে অর্জিত ডিগ্রি ৪ বছর মেয়াদি মর্মে বিভাগীয় প্রধান/পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক/রেজিস্টার কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সাথে অবশ্যই জমা দিতে হবে। অন্যথায়, তাদের অর্জিত ডিগ্রি ৩ বছর মেয়াদি হিসেবে গণ্য করা হবে।
  •       বয়স প্রমাণের জন্য শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত এসএসসি/সমমানের মূল/সাময়িক সনদের সত্যায়িত কপি; “ও” লেভেল এবং “এ” লেভেল ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে জন্ম তারিখ সংবলিত দালিলিক প্রমাণ জমা দিতে হবে। বয়স প্রমাণের জন্য এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।
  •       বিদেশ থেকে অর্জিত ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইকুইভ্যালেন্স কমিটি/শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত ইকুইভ্যালেন্স সনদের সত্যায়িত ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  •       আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তিত হলে পরিবর্তিত স্থায়ী ঠিকানার সপক্ষে প্রামাণ্য সনদের সত্যায়িত কপি।
  •       জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সত্যায়িত কপি।
  •       মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত সর্বশেষ সার্কুলার অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধার বয়সের প্রমাণক/ডকুমেন্টস (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  •       বাছাই/লিখিত/ব্যবহারিক পরীক্ষার পরবেশপত্রের কপি। 
  •       প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক জারীকৃত প্রতিবন্ধী সনদ/পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  •       ০৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা সত্যায়িত রঙ্গিন ছবি।
  •       নাগরিকত্ব সনদের সত্যায়িত কপি;
  •       প্রার্থী কর্তৃক আবেদনপত্রে উল্লিখিত স্থায়ী ঠিকানা পরবর্তীতে পরিবর্তিত হলে কিংবা মহিলা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্বামীর ঠিকানা ব্যবহার করা হলে প্রার্থীকে পরিবর্তিত স্থায়ী ঠিকানার সপক্ষে প্রাক্তন এবং বর্তমান সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র/কাউন্সিলর/পৌর মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/নোটারি পাবলিক কর্তৃক স্বাক্ষরিত সনদপত্র।

 

মানবন্টন: (তফসিল-২)

পরীক্ষা পরীক্ষার বিষয় নম্বর সর্বনিম্ম পাস নম্বর সময়
লিখিত পরীক্ষা ১. বাংলা ২৫ ৫০%

 

৯০ মিনিট

 

২. ইংরেজি ২৫
৩. গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান ২০
৪. সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) ২০
মোট নম্বর ৯০
মৌখিক পরীক্ষা ১০ ৫০%
সর্বমোট নম্বর ১০০
ব্যাখ্যা: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ মৌখিক পরীক্ষার জন্য যোগ্য বিবেচিত হইবেন।

 

*** লিখিত পরীক্ষায় উত্তর প্রদানের ভাষা: বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট ভাষাতে লিখতে হবে। অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর বাংলা বা ইংরেজি-এর যেকোন একটি’তে লেখা যাবে। একটি বিষয়ের উত্তরে উভয় ভাষা ব্যবহার করা যাবে না তবে Technical শব্দসমূহ ইংরেজিতে লেখা যাবে। কোন বিষয়ের প্রশ্নপত্রে অন্য কোনরূপ নির্দেশ থাকলে উক্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে ঐ নির্দেশ অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর লিখতে হবে।

 

প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি কৌশল : সাফল্যের রোডম্যাপ

সুপ্রিয় চাকরিপ্রত্যাশী,

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের সার্কুলারটি আপনার জন্য নিঃসন্দেহে এক সুবর্ণ সুযোগ। প্রায় এক যুগের ও বেশি সময় পর সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে এই নন-ক্যাডার পদমর্যাদার পদে নিয়োগ হতে চলেছে, যা একটি তুমুল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা হবে। বিপুল সংখ্যক মেধাবী প্রার্থীর অংশগ্রহণের কারণে এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য এবং আপনার চাকরিটি নিশ্চিত করার জন্য একটি সুচিন্তিত এবং পরিকল্পিত প্রস্তুতি কৌশল অপরিহার্য।

 

১. প্রস্তুতি শুরুর প্রথম পদক্ষেপ: পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য নির্ধারণ

সময়োপযোগী রুটিন তৈরি: আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং কার্যকরি রুটিন তৈরি করুন। এই রুটিনে কেবল পড়ার সময় নয়, বরং দৈনিক বিরতি, রিভিশনের সময় এবং মক টেস্টের সময়ও অন্তর্ভুক্ত করুন।

দৈনিক অধ্যয়নের টার্গেট: আপনার ব্যক্তিগত সামর্থ্য অনুযায়ী দৈনিক কত ঘণ্টা পড়বেন, তা নির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করুন (যেমন: দৈনিক ৮ ঘণ্টা বা তার বেশি)। শুধু সময় গুণে নয়, গুণগত পড়াশোনায় মনোযোগ দিন।

 

২. পরীক্ষা পদ্ধতি এবং সিলেবাসের সঠিক ধারণা

প্রস্তুতি শুরু করার আগে পরীক্ষার সম্পূর্ণ কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।

পরীক্ষা পদ্ধতি: নিয়োগ পরীক্ষাটি ৯০ নম্বরের MCQ Type লিখিত পরীক্ষা এবং ১০ নম্বরের মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষা এর মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে।

 

মানবণ্টন ও সিলেবাস বিশ্লেষণ: প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদের পরীক্ষা পদ্ধতি, বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন এবং প্রকাশিত সিলেবাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র যেহেতু খুবই স্ট্যান্ডার্ড মানের হবে, তাই সিলেবাসের প্রতিটি অংশকে গুরুত্ব দিতে হবে।

অপ্রয়োজনীয় তথ্য পরিহার: সিলেবাসের বাইরে গিয়ে বা অপ্রয়োজনীয় তথ্য পড়ে সময় নষ্ট করা যাবে না। বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো খুঁজে বের করুন এবং সেগুলোর উপর ফোকাস করুন।

 

৩. বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির বিশেষ কৌশল

বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে যেহেতু মোট ৫০ নম্বর, তাই এই দুটি বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তবে গণিত, দৈনন্দিন বিজ্ঞান এবং সাধারণ জ্ঞানের জন্যও আলাদা ও পর্যাপ্ত সময় রাখতে হবে। কোনো বিষয়কেই কম গুরুত্ব দেওয়া যাবে না।

ক. বাংলা ও ইংরেজি (৫০ নম্বর): সর্বোচ্চ গুরুত্বের ক্ষেত্র

  •       ব্যাকরণ ও গ্রামার: বাংলা ও ইংরেজির জন্য ব্যাকরণ/গ্রামারের মৌলিক বিষয়গুলোর উপর বিশেষ জোর দিন।
  •       বাংলা: ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি, সমাস, কারক ও বিভক্তি, প্রকৃতি-প্রত্যয়, বাক্য শুদ্ধি, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা।
  •       ইংরেজি: Tense, Parts of Speech, Right Form of Verbs, Voice, Narration, Preposition, Spelling, Phrase & Idioms, Synonym-Antonym.
  •       বাংলা সাহিত্য: প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ কবি-সাহিত্যিক, তাঁদের সৃষ্টিকর্ম, উপাধি। (বিশেষত পিএসসি নির্ধারিত কবি/সাহিত্যিকদের উপর জোর দিন।
  •       Vocabulary: ইংরেজি ভোকাবুলারি (Synonym, Antonym) আয়ত্ত করতে দৈনিক একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যয় করুন।

 

খ. গণিত (২০ নম্বর): নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন

  •       পাটিগণিত: শতকরা, লাভ-ক্ষতি, সরল ও চক্রবৃদ্ধি সুদ, ঐকিক নিয়ম, অনুপাত-সমানুপাত।
  •       বীজগণিত: সরলীকরণ, মান নির্ণয় (সূত্রাবলী), উৎপাদক বিশ্লেষণ।
  •       জ্যামিতি: রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও বৃত্ত সম্পর্কিত মৌলিক ধারণা ও সূত্র।
  •       গণিতের জন্য নিয়মিত অনুশীলন আবশ্যক। শুধু সূত্র মুখস্থ না করে প্রতিটি অংকের নিয়ম ও প্রয়োগ বুঝে সমাধান করুন।

 

গ. সাধারণ জ্ঞান ও বিজ্ঞান (৪০ নম্বর): সময়োপযোগী ও মৌলিক প্রস্তুতি

  •       বাংলাদেশ বিষয়াবলি: ইতিহাস (মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলন), অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া সংস্কার প্রক্রিয়া, সংবিধান সংস্কার, শিক্ষা নীতি ও উন্নয়ন, অর্থনীতি, সরকার ও প্রশাসন।
  •       আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও চুক্তি।
  •       দৈনন্দিন বিজ্ঞান: পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের মৌলিক ও প্রায়োগিক বিষয়গুলো।
  •       সাম্প্রতিক বিষয়: বিগত ৬ মাসের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির উপর ফোকাস রাখুন।

 

৪. বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ ও সহায়ক বই অনুসরণ

প্রশ্নপত্র সম্পর্কে ধারণা পেতে নিম্নলিখিত পরীক্ষার বিগত ১০ বছরের প্রশ্নাবলী সমাধান করুন:

  •       বিসিএস (১০তম থেকে ৪৭তম)
  •       প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ
  •       শিক্ষক নিবন্ধন
  •       বিভিন্ন নন-ক্যাডার পদের নিয়োগ পরীক্ষা

বোর্ড বইয়ের গুরুত্ব: প্রতিটি বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য নির্ধারিত বোর্ড বই (বিশেষত ৯ম-১০ম শ্রেণির) মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। বোর্ড বই হলো মৌলিক প্রস্তুতির ভিত্তি।

 

৫. পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি এবং নিজেকে যাচাই

পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি: দেশসেরা মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য এবং চাকরিটি নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে হবে। এর অর্থ হলো সিলেবাসের প্রতিটি অংশ সময়মতো শেষ করা এবং নিয়মিত রিভিশন করা। এজন্য আপনার বেস্ট সহায়ক হতে পারে britto অ্যাপ। britto অ্যাপে আপনি দিতে পারবেন বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা এবং ফুল মডেল টেস্ট একদম ফ্রি।

মক টেস্ট ও সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট: প্রস্তুতি শেষ হওয়ার আগে ও পরে নিয়মিত মক টেস্ট দিন। মক টেস্ট আপনাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৯০টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দক্ষতা অর্জন করতে এবং আপনার দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে।

চূড়ান্ত পরামর্শ: সামনের কয়েকটি মাসকে পুরোপুরি কাজে লাগান। প্রতিটি মিনিটের সদ্ব্যবহার করে আত্মবিশ্বাসের সাথে পরীক্ষা দিন। শুভ কামনা!